কলঙ্কীনি

কলঙ্কীনি //পীযূষকান্তি বিশ্বাস

মধ্য বয়স মধ্য মেধার সামান্য নারী
মধ্য রাতে একলা জাগি একআকাশ বাড়ি ।

আকাশ জুড়ে রোশনী আর চাঁদ উঠেছে ঐ
ভার্চুয়ালের ধনুক হাতে মেঘনাদ আসে কৈ  ।

মেঘ করেছে বক্ষ জুড়ে জানেনা মেঘ রাজ
মুখের কথা ধুঁকছে মুখে কপাল জুড়ে ভাঁজ ।

মেঘ করেছে একাকী ঘর একেলা সয্যায়
রিংটোনে কার পায়ের আওয়াজ ঘিরেছে লজ্জায় ।

নবীন কিশোর অস্ত্র হাতে মস্ত ধনুর্বীদ
নিঃস্বঃ আমি একলা ঘরে সামান্য সুহৃদ ।

শব্দবিহীন স্তদ্ধ পাড়া , বন্ধদ্বার গলি
ফোন এসেছে নবীন কিশোর কি কথা বলি ?

নামে দ্রুত নিঃশ্বাস আমি হঠাৎ হারাই খেই
তোমার সংগে আমার নাকি কথা বলতে নেই ।

আড়াল আমার ভাগ্য জানি, গোপনে খেয়াল
ঠোঁটের ফাঁকে আটকে রাখি রাত্রি ও দেয়াল ।

রাতই আমার ভুষণ জেনো কৃষ্ণ অন্ধকার
রাতই আড়াল, রাতই প্রিয়, রাতই অলংকার ।

আড়াল মানে পর্দানশীন আড়াল অহর্নিশ
ডুবে যাওয়া চাঁদের শেষে কথা বলতে দিস ।

বুকের ভিতর ঝড় উঠেছে, ঝঞ্ঝা ভার্চুয়াল
ফোনের ভিতর বৃষ্টি নামে, ভিজে অন্তরাল ।

হাতের কাছে রঙের তুলি হাতের কাছে তীর
ধনুক হাতে নবীন কিশোর চুড়ান্ত গম্ভীর ।

চিনচিন হৃদ, গাত্রদাহের উত্তাপ বুকে সে
রক্তমাংসের আগুন নিয়ে কাব্য লিখেছে ।

আগুন চাপা বুকের ভিতর ফাগুন ঘিরে চাঁদ
যতই গুটাই লাটাই আমার যায়না অবসাদ ।

কালিমা এই শরীর জুড়ে গাত্র পুড়ে ছাই
নষ্টরাতের আত্মরতীর সাক্ষী রাখি নাই ।

লজ্জা কালো স্বমেহনের কলঙ্কীনি রাই    
রাত্রির অন্ধকার ! অহর্নিশ নষ্ট হতে চাই ।

Comments

Popular Posts